Monday, July 25, 2011
Saturday, May 14, 2011
Wednesday, May 11, 2011
Tuesday, May 3, 2011
Wednesday, February 23, 2011
Monday, February 7, 2011
Monday, January 31, 2011
আমার কবিতা /সুবীর সরকার
১১।
প্রসন্নতা নিয়ে বিকেল ঘুমোবে
ঘুম ভাঙলে গানের
ধারা
গুপ্তচরের দেয়া তথ্যে সতর্কতা
থাকছে না
লুকোছাপা পথে স্টাইল
ঢুকিয়ে দিও
পশুচারণ প্রকৃতই অদ্ভুত এক
টিমগেম
১২।
বহুদিন দেখেনি এমন দৃশ্যপট
স্নানদৃশ্যের ধারাপাত,মেঘের
স্তুপ
নদী ও বাগিচাবাহিত পথ
পাখিডাকে কুশলবার্তা
শালগাছের রস খেয়ে বেঁচে
থাকা
লোরেং পোকা,
জলজলার তীব্র হুইসল
সিসি লাইনে ডো্রা বাঘ
মধুফুল ছুঁয়ে মাঠের গন্ধ
নিয়ত দৃশ্যান্তর।উধাও
জনপদ
১৩।
হয়তো মসৃন সড়কপথে পাড়ি জমাবে
হয়তো কনফেসন বক্স,আলোছায়ায়
পাথর থেকে পাথর টপকে
ভেজা ঘাস
কিংবা কনসার্টের দিকে ¢pÜ¡Q¡kÑ
হাটছেন
তন্ত্রমন্ত্রের যত গান অবধারিত
দোলনা ব্রিজে
হয়তো চোখের আড়াল,চিলতে
হাট
জলছবির পাশে বাজাও অনন্ত
ব্যালাড
Saturday, January 29, 2011
ব্যালাড/সুবীর সরকার
১।
প্রস্তাবে শোক ছিল
একধরণের সতর্কতাও
আলস্যকে ভোগ্যপন্য
ভাবি
বিলাসব্যাসন সাজাই
পোড়াকাঠ হাতে বেড়াল
তাড়াই
phÑত্রই ক্রিয়াপদখেলা
বাঁশের ভেলায় চেপে
সারাবেলা
২।
নদীকিনারায় পাখি
শোকমিছিলটি দীর্ঘতর
সুসমাচার মেইলবক্সে
সার্কাস দেখতে গিয়ে
রক্তবমি
মৃত্যুটি ডেটলে ডোবানো
দরজার কাছে মেঘ
জানালায় কুয়াশাহাওয়া
সন্দেহপ্রবন হাতের তালু
দিন শুরু
ফেরিওয়ালার
হাসির ভাঙা হাটে পাখিরা
৩।
দ্রুততাও লিখতে পারি?
ঘুমে ভারি হয়ে আসা
চোখ
খোঁপায় কাটা,শষ্যবর্ণ শাড়ি
যাদুবিদ্যার এক গ্রাম
ধানগোলা উজার হয়ে
যায়
ভয় দেখাছে ফাঁকা আওয়াজ
সন্ত্রাস ও শূন্যতার
বারমাস্যা
বন্ধুরা বিগত আজ
শোকের বদলে ব্যালাড
Tuesday, January 25, 2011
আমার কবিতা /সুবীর সরকার
১।
পাখি ও প্যাঁচার কথা বলি
ব্যালকনি দুপুর।অন্ধকার
সরাতে থাকি
প্রসাধনক্রিয়ার করতালি
অকারণ কথার বিক্রিয়া
অংশকে মিশ্রিত করি সমগ্রের
সাথে
উৎসবঋতু।হাঁটুজল।
নেচে উঠবেন বলদবাহন শিব
ফোলা ফোলা চোখমুখ
পা ও পাখির
রি-মেক
ব্যালাডের খোল থেকে আসা
গান ও গাথা
কান পেতে লুপ্ত কথা শুনি
বাতাসবারান্দায় প্রবচন
গুজব গজাচ্ছে বাগধারায়
হলুদের বনে পাখিরা
জাগে
হলুদের খেতে দোতারা জাগে
চক্রান্তের চক্রে ঘুরি ফিরি
ছায়ায় দাড়িয়ে সিদ্ধার্চায
ধানগাছের ছায়া মাপছেন
প্রসঙ্গ ভুলি।যথোচিত লোকাচার
অন্নজল ব্যাতীত কিছু নয়
শুধু ডিমকুসুম রোদ
সরসেখেতের মধ্য দিয়ে
যাওয়া
কথাবৃষ্টির ভাইব্রেশন থেকে
আমাদের পাখিজন্ম হয়
দুরন্ত নদী ডিঙোই হুডখোলা
জিপে
দিক ও দিগরের যত গান
সাক্ষাৎকার সেরে নেয়
চরাচরে জ্যোৎস্নার দহ
চরাচরে কাকতাড়ুয়া
লোকাচার সৌজন্য শিখছে
ভয়াবহ মনে হয় চিড়েকোটা
গান
ব্রত কথায় পূজাপাবর্ণ
উঠোন নিকানো,লেপাপোছা
প্রসঙ্গ তুলি,প্রসঙ্গহীনতার---
৩।
¢pÜ¡Q¡kÑ পুঁথি বাঁধছেন
কৃষিবউ ধানের আঁটি
ঘাসবনে সাপ ও বেজি
কথাটি গোপন থাক
কথাবনে বাতাস লাগুক
পথে পা।সহজিয়া
হই
Thursday, January 13, 2011
আমার কবিতা /সুবীর সরকার
১৩।
মধুফুল ছুঁয়ে মাঠের গন্ধ
গা সেঁকছে বাদামখোসা
বিতর্ক থেকে দূরে হেয়ারস্টাইল
আর বিনোদনমাখা রেইনি ডে
১৪।
দাঁতে কাটা রাত্রি,জলঢোড়া
ছাঁয়ায় মেশে গুপ্তঘাতকের
ছায়া
সম্পর্ক মাপছে হাওয়াকল
দূরত্ব কমছে আজ জোনাকির
ঝাঁক
১৫।
শহরের বুকে জমিয়ে রাখছো স্বপ্ন
বৃষ্টিতে ভিজছো পালকপিতার পাশে
কথা ও কাজের মধ্যে ডটপেন
টানেলে ভেসে যায় প্রচলিত গান
তাঁবু ফেলছে ভাষাগ্রাম,বিষন্নতার
সজারুরা হেঁটে চলে চিরকালিন
পথে
১৬।
গানবাজনা সহ চলে আসতে পারো একদিন
শূন্য কোনো মাঠে বাজাতে পারো
বাঁশি
সম্পর্কে নামছে কুয়াশা,
কেমন দূরাগত হয়ে ওঠা নজরমিনার
১৭।
নদীনালা প্রসঙ্গে জলে ভাসা পালক
পবিত্র ঢোল আনি,আনি নাচ ও গান
পানসুপারী কথান্তরে ঘোড়াদের
গ্রাম
নদীনালা প্রসঙ্গে বর্ষাদেবতা ও পাথরকুচি
১৮।
শীতবর্ষা ও আসাযাওয়ার ভিতর
নীলবাঘ ভালুকেরা হেঁটে যায়
চিরুণী বেয়ে ঘাম ও ঘামাচি
হাতি শুড় দোলাচ্ছে,সরাসরি
জঙ্গলপথ
১৯।
প্রায়শ বিকেল পেরোবে সন্ধাভাষা
প্রায়শ গড়াতে থাকে ফাঁকা
কলসি
বটপাকুড়ের গল্পে শুকনো পাতা
তবু ভেসে যাওয়াটুকু থাক,বালুঘড়ির
২০।
শীতঘুম ভাঙতেই নদী কিনারায় পাখি
ভোরবেলার ভেতর গুটিসুটি ভোর
নাচগান থেকে সরে একা হয়ে
গেছি
মেয়েটি বিষাদ ভালবাসে,তাই লাল বল
দোলনা সাঁকোর ওপর বাজনাশহর----
Saturday, January 8, 2011
আমার বই পত্র /সুবীর সরকার
বিষাদকোরাস/সুবীর সরকার
১।ব্যন্ডমাষ্টার ফিরে আসছে,হাসিপাখি ঠোঁট
কুয়াশায় লুকিয়ে পড়ছে জোকারের
চোখ
অভিমান ভাঙছে।গুঁড়ো হছে ।
কাঠপাতা জড়ো করে জালিয়েছি আগুন
ব্যান্ডমাষ্টারের হাততালি রাত নদী জলে
২।
পুলক ছড়ানো শেড-ট্রির নীচে
নদী নদী দিয়ে হেটে আসা
পথিক
আপেল কুড়িয়ে রাখি ফুটবলমাঠে
ভাঁজ করা জানার্ল হাতে জঙ্গল ভুমি
কাঠের সিঁড়ি,ড্রাগনেরা বসে থাকে
পুলক জাগানো শীত,য়থায়থ
ভয়াতর্তা
৩।
শরীরে বৃষ্টি,ভাষা গান
লোক চলাচল সূযার্স্তের পরে
সংগীতের মধ্যে ভ্রমণপ্রসঙ্গ
কৃষিকষর্ণ ঘিরে কাঁটাগাছ
প্রবীন হাওয়ার কথা বলি
অনন্ত ফাল্গুনের কথা পাড়ি
আর ভাষাটিকে ঠেলে দেয়
গান
৪।
যত্রতত্র খুঁজি,শোকপ্রস্তাব
ওল্টানো গাড়ি,মৃত হাইওয়ে
আপেল খেতে খেতে কথা হবে
লোকভাষা বসে থাকে,সুপুরির
সারি
৫।
বৃষ্টিভাসা জলে পা ডোবাই
অদূরে জায়মান গান,শীতকাঁথা
হাটমুখি হই,আকাশে মেঘের
ডাক
বৃষ্টিমাখা জলে মেশে বিষাদকোরাস
৬।
ভাঙনের পাড়ে বাজাও হামোর্নিয়াম
আসবাবপত্রে ধরা পড়ে জীবনযাপন
পরিমাজির্ত অংশে মেঘলা দিনের
মেঘ
ধরা দিছে গ্রামাঞ্চল,গ্রামঠাকুর
হাঁটুজলে বলদবাহন শিব,
ভাঙনের পাড়ে দুকলি ব্রতগান
৭।
তুমি কথা বলা পুতুল,ঘুঘুশালিক
হাডুডু খেলি শূন্য মাঠে
বেনোজল ডিঙোলেই আবহমানতা
বন্ধুত্বের প্রশ্নে অন্ধতা
আলোর মধ্যে বহন করি
ছায়াটিকে
৮।
বিকেলসাঁতার,বিরতিহীন
বিকেলসাঁতার,বিরতিহীন
পোড়োবাড়ির ছায়ায় পারিবারিক
ছবি
টেনে আনা যায় ক্লান্তি,সূচের
ফলা
কুচি ও ঝালর দেওয়া পোশাক
অভিবাদন জানাচ্ছে শাদা বরফ
৯।
ধাপে ধাপে নেমে যাওয়া সিঁড়ি
গোপনীয়তা রক্ষার জন্য রান্নাঘর
জীবন আদতে এক খুঁটিনাটি ভ্রমণ
চাষাবাদে মগ্ন তুমি মেধা ছুঁয়ে
আছো
১০।
চওড়া হছে সাফল্যের হাসি
আর সাজঘরে জখম বাঘ
পাথরে পাথর ঘষে আগুন
জ্বালি
রাতের শহর দ্যাখো রিংমাষ্টার
নদীনৌকোয় বসন্তকোকিল
মৃদু বাঁশবন, ঘুঘুডাক
পথ ও পথিক আঁকে গোলশহরের
ভূগোল
১১|
ভাঙা দালানের দেশে একটু পা রাখার
জায়গা
নিধুয়াপাথারে ঢেঁকিছাটা চাল
হর্ষবিষাদ পাঠিয়েছ পুরানো শহরে
চাঁদ ও চাদর একাকার প্রকরণ ভাঙা
শীতে
১২|
কেমন হিম হয়ে ওঠা দিনগুলি
সংশয় পেরিয়ে খাড়া পাহাড়
জ্যোৎস্নার থান পরা ঘোড়াদল
লবন ছিটিয়ে সরানো হচ্ছে জোঁক
মুখোশনাচ, শোলোক বলা পুতুল
অন্যমনস্কতায় কেমন ডেকে ওঠা
হাঁস
Subscribe to:
Comments (Atom)




































